বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ বন্দর থানার যৌথ অভিযানে গাজা ও ইয়াবাসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। জানাগেছে গতকাল (সোমবার) বন্দর থানার চৌকশ অফিসার এস আই সামসুল ইসলামের নেতৃত্বে সংগীয় এস আই সজল সাহা, এ এস আই সুমন, কনষ্টেবল জুলফিকার হোসেনসহ সংগীয় ফোর্স নিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, পতাং গ্রামের শুক্কুর হাওলাদার এর ছেলে শিপন হাওলাদার(২৪), দুর্গাপুর সোনালীপুল এলাকার মৃতঃ গনী হাওলাদারের ছেলে ফারুক হাওলাদার(৩৬) ও টুঙ্গীবাড়িয়া বিশারদ এলাকার মৃতঃ দুলাল হাওলাদারের ছেলে লিটন হাওলাদার(২০), চরকাউয়া হেমায়েত হাওলাদের ছেলে জসিম হাওলাদার(২২)। তাদেরকে চরকাউয়া বাসস্টান্ড, সাহেবেরহাট বাজারের পশ্চিম পাশে মটর মেকানিক ইলিয়াছের দোকানের সম্মুখে ও পতাং এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে এস আই সামসুল ইসলাম বলেন, আটককৃত শিপনকে গতো ০১/০৮/২০২১ইং পতাং এলাকার খান বাড়ির সামনের রাস্তায় ইয়াবা ব্যাবসায়ী জাহিদের সাথে কথা বলতে দেখে তাদেরকে ধাওয়া করলে জাহিদ পালিয়ে যায় এবং আমরা শিপনকে সার্চ করি, এসময় শিপনের পকেট থেকে ৫ পিছ ইয়াবা পেয়ে তাকে আটক করি। তিনি আরও বলেন, গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে বিকেল ৩ টায় ফারুক হাওলাদারকে ২০ গ্রাম ও সাহেবেরহাট বাজারের পশ্চিম পাশে মটর মেকানিক ইলিয়াসের দোকানের সামনে থেকে লিটন ও জসিম হাওলাদারকে ২৫ গ্রাম গাজাসহ আটক করি। তাদেরকে আটক করে বন্দর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
আটকৃতদের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় ২০১৮ ইং সালের মাদক নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর ১৯(ক) / ৩৬(১) এর ১৯(ক)/৪১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে এস আই সামসুল ইসলাম ও এস আই সজল সাহা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের সংগীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করেছি। তাছাড়া বন্দর থানা এলাকায় মাদকের বিরুদ্বে আমাদের অভিযান চলমান আছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আসাদুজ্জামানকে ফোন করলে তিনি বলেন, বন্দর থানা এলাকায় মাদক ব্যাবসা, ইভটিজিং, বাল্য বিয়ে হতে দেয়া যাবেনা। এমনকি এসব অপরাধের বিরুদ্বে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।