বরিশাল

মুলাদীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা, আহত ৩

  প্রতিনিধি ১ মে ২০২৬ , ১১:১০:১৯ প্রিন্ট সংস্করণ

তালাশ প্রতিবেদকঃ
বরিশালের মুলাদী পৌরসভায় জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর।

 

ভুক্তভোগী নেছার উদ্দিনের মুলাদী থানায় দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করেন, ১ মে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি ও তার স্বজনরা মুলাদী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নিজেদের ক্রয়কৃত সম্পত্তির ঘর মেরামতের কাজ করছিলেন। এসময় মেহেদী হাসান ইমামসহ ৬ জন নামীয় এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

 

 

এ ঘটনায় দায়ের করা এজাহারে উল্লেখিত আসামিরা হলেন, মুলাদী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল মালেক বেপারী পুত্র মেহেদী হাসান ইমাম (৪০), ইব্রাহিম বেপারীর পুত্র আশিক বেপারী (২২), মৃত আব্দুল মালেক বেপারীর কন্যা রেবা বেগম (৩৫), জহিরুল ইসলাম ওরফে জহু (৩৫), ইব্রাহিম বেপারীর স্ত্রী পারুল বেগম (৪০), মেহেদী হাসান ইমামের স্ত্রী মনি বেগম (৩৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন।

 

এজাহার সূত্রে জানা যায়, হামলাকারীরা ধারালো রামদা, দা, লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে।

 

এতে আবুল কালাম সিকদার (৫০) ও শাহাদাত হোসেন (৪০) গুরুতর আহত হন। তাদের মাথা ও মুখে একাধিক কোপের জখম হয়। এছাড়া বাদী নেছার উদ্দিনকেও মারধর করে আহত করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, হামলার সময় আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে বারবার মাথা লক্ষ্য করে আঘাত করে। এসময় বাদীর কাছে থাকা একটি মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয়, যাতে প্রায় ১৫ হাজার ৩২০ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিল।

স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আহত দুইজনকে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান ইমামকে মুলাদী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করা হয়েছে, যিনি বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী নেছার উদ্দিন জানান, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল এবং এর আগেও আসামিরা বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এজাহারের বিষয় জানতে মুলাদী থানার ওসিকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।

আরও খবর

Sponsered content